বিভিন্ন দাবিতে সিঙ্গুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতে ডেপুটেশন
সিঙ্গুর | নিউজ ডেস্ক | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনার ঘর, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিকাশি ব্যবস্থা সহ একাধিক সামাজিক ও পরিকাঠামোগত দাবিতে সিঙ্গুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হলো। মঙ্গলবার নির্ধারিত দাবিগুলি নিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে উপস্থিত হন একাধিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
ডেপুটেশনে উত্থাপিত দাবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—
এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পের কাজ অবিলম্বে চালু করা, সার ও বীজের কালোবাজারি বন্ধ করা, অঞ্চলজুড়ে ভেঙে পড়া জল নিকাশি ব্যবস্থার পুনর্নির্মাণ, পঞ্চায়েত এলাকায় বেআইনিভাবে নির্মিত বহুতলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, রেল ও সরকারি জমি সংলগ্ন বাস্তুহারা ও কর্মহারা নাগরিকদের জন্য পঞ্চায়েতের হস্তক্ষেপ, ইন্দিরা বেদী থেকে গোলাপ মোহিনী গার্লস স্কুল সংলগ্ন স্কুল মোড় পর্যন্ত নাগরিকদের নির্বিঘ্ন চলাচলের ব্যবস্থা এবং রাস্তা দিয়ে জল ও গ্যাসের লাইন বসানোর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলির সম্পূর্ণ সংস্কার।
এছাড়াও গরিব মানুষের জন্য আবাস যোজনার ঘর প্রদান, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা, কুকুর ও পরিবেশ রক্ষায় পঞ্চায়েতের উদ্যোগ নেওয়ার দাবিও জানানো হয়।
এই দাবিগুলি নিয়ে ডেপুটেশন দিতে যান সুকাজল দাস, অনাল নাগ, কিরিটি পাল, শ্যামলী দাস, বিশ্বজিৎ সাঁবুই এবং জগন্নাথ দাস। ডেপুটেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখেন সারা ভারত কৃষক সভার হুগলি জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড পরান কোলে, হুগলি জেলা কৃষক সমিতির সহ-সম্পাদক কমরেড সৌমিত্র চ্যাটার্জী, সিঙ্গুর থানা কৃষক সমিতি উত্তরের সম্পাদক কমরেড দেবাশীষ চ্যাটার্জী, দক্ষিণের সম্পাদক দেবব্রত শীট, সিআইটিইউ নেতা কমরেড কৃষ্ণ অধিকারী এবং গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির জেলা নেত্রী কমরেড দীপালী মণ্ডল।
বিক্ষোভ সভায় সভাপতিত্ব করেন কমরেড সোমনাথ পাল। ডেপুটেশন প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে দাবিগুলির ব্যাখ্যা তুলে ধরেন কমরেড সুকাজল দাস।





