হুগলীতে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ তুঙ্গে
তৃণমূল কাউন্সিলরের মন্তব্যে পাল্টা বিজেপি, নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলী: হুগলী জেলার শ্রীরামপুর সাংগঠনিক এলাকায় রাজনৈতিক তরজা নতুন মাত্রা পেল। তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিজেপির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে শাসক ও বিরোধী শিবিরে শুরু হয়েছে তীব্র বাকবিতণ্ডা।
হুগলীতে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ তুঙ্গে
তৃণমূল কাউন্সিলরের মন্তব্যে পাল্টা বিজেপি, নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলী:
হুগলী জেলার শ্রীরামপুর সাংগঠনিক এলাকায় রাজনৈতিক তরজা নতুন মাত্রা পেল। তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিজেপির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে শাসক ও বিরোধী শিবিরে শুরু হয়েছে তীব্র বাকবিতণ্ডা।
এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি সুমন ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক শালীনতা ও ভাষার ব্যবহারে সংযম থাকা উচিত। তাঁর দাবি, “জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যে ভদ্রতা ও দায়িত্ববোধ থাকা প্রয়োজন।”
বিজেপি নেতার অভিযোগ, তৃণমূল নেতাদের একাংশ রাজনৈতিক আক্রমণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত মন্তব্য করছেন, যা সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশের পক্ষে অনুকূল নয়। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশ্ন তোলেন। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, রাজ্যে নারীদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
তবে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে রাজ্য সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন, নারী নিরাপত্তার প্রশ্নে তাঁর সরকার ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, লোকসভা নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। হুগলীও তার ব্যতিক্রম নয়। রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার এবং নারী নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল ইস্যু সামনে রেখে দুই পক্ষই জনমত গঠনের চেষ্টা করছে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মত, রাজনৈতিক দলগুলির উচিত পরস্পরের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ না করে উন্নয়ন ও জনস্বার্থের প্রশ্নে আলোচনায় জোর দেওয়া।
পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি সুমন ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক শালীনতা ও ভাষার ব্যবহারে সংযম থাকা উচিত। তাঁর দাবি, “জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যে ভদ্রতা ও দায়িত্ববোধ থাকা প্রয়োজন।”
বিজেপি নেতার অভিযোগ, তৃণমূল নেতাদের একাংশ রাজনৈতিক আক্রমণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত মন্তব্য করছেন, যা সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশের পক্ষে অনুকূল নয়। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশ্ন তোলেন। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, রাজ্যে নারীদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
তবে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে রাজ্য সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন, নারী নিরাপত্তার প্রশ্নে তাঁর সরকার ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, লোকসভা নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। হুগলীও তার ব্যতিক্রম নয়। রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার এবং নারী নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল ইস্যু সামনে রেখে দুই পক্ষই জনমত গঠনের চেষ্টা করছে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মত, রাজনৈতিক দলগুলির উচিত পরস্পরের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ না করে উন্নয়ন ও জনস্বার্থের প্রশ্নে আলোচনায় জোর দেওয়া।
পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।





