🥶 হাড় কাঁপানো ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার দাপট, সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার ইউটার্ন
🌫️ সামান্য পারদ বাড়লেও শীত বিদায় নয়, উত্তরে হাওয়া ও কুয়াশায় জেরবার বাংল
নিজস্ব সংবাদদাতা:
হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় কাহিল অবস্থা পাহাড় থেকে সমতলের মানুষের। দক্ষিণবঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও শীতের দাপট এখনও বজায় রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভোর ও রাতের দিকে ভালোই ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঘন কুয়াশা, যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও যান চলাচলে বাড়তি সমস্যা তৈরি করছে।
আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, নতুন সপ্তাহের শুরুতেই অর্থাৎ সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। রবিবার সকাল থেকেই তার আভাস পাওয়া গিয়েছে—আকাশ মেঘলা থাকলেও ভোরের দিকে ছিল ব্যাপক কুয়াশা এবং ঠান্ডার দাপট
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় উত্তরে হাওয়ার প্রভাব থাকবে।
কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, নদিয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শীতের সঙ্গে কুয়াশার প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাবে।
অন্যদিকে বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং মুর্শিদাবাদে তুলনামূলকভাবে বেশি ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার থেকে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। ভোরের দিকে বেশ কিছু জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা থাকায় যানবাহন চালানোর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
❄️ উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া: পাহাড়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা
উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে চলেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে রাতের দিকে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকবে। আজ দার্জিলিংয়ের উঁচু এলাকায় হালকা তুষারপাত অথবা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
সকালের দিকে ঘন কুয়াশার কারণে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। পার্বত্য অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই অনেকটাই নেমে গিয়েছে এবং আগামী ২৪–৪৮ ঘণ্টা তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে বলে পূর্বাভাস।






