শ্রীরামপুরে তৃণমূলের জোরদার প্রচার, বিরোধীদের কড়া আক্রমণ তন্ময় ঘোষের
“ভোটের মার্জিন বাড়বে, বাংলার মানুষই শেষ কথা বলবে”—দাবি তৃণমূল প্রার্থীর
স্টাফ রিপোর্টার | হুগলি:
নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক প্রচারের তাপমাত্রা। এদিন শ্রীরামপুরের রাজ্যধরপুর এলাকায় জোরকদমে প্রচার সারলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তন্ময় ঘোষ। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা পরিষদের সদস্যা প্রিয়াঙ্কা দে এবং তৃণমূল নেতা সন্দীপ দে।
পায়ে হেঁটে রাজ্যধরপুর চষে বেড়ান তন্ময় ঘোষ। প্রচারে অংশ নেন হাজার হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। জনসংযোগের মধ্যেই বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ করে তিনি দাবি করেন, “গতবারের তুলনায় এবারের নির্বাচনে আমার ভোটের ব্যবধান আরও বাড়বে।”
ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সাজোয়া গাড়ি নামানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনকেও নিশানা করেন তিনি। তন্ময় ঘোষের অভিযোগ, “নির্বাচন কমিশন এই ভোটকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে। বাংলার বহু প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, মানুষকে আতঙ্কিত করার চেষ্টা চলছে।” পাশাপাশি পেহেলগাঁও কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সেখানে ২৬ জন নিরপরাধ মানুষ নিহত হলেন, কিন্তু তখন এ ধরনের ব্যবস্থা দেখা যায়নি।”
তৃণমূল প্রার্থী আরও বলেন, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর উপর আস্থা রেখেছেন। বিরোধীরা ভোটারদের ভয় দেখাতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “যতই বাধা আসুক, শেষ কথা বলবে বাংলার মানুষই। ৪ তারিখ ইভিএম খুললেই বিরোধীরা ধূলিসাৎ হয়ে যাবে।”
এদিন কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি ও সিবিআই নিয়েও সরব হন তন্ময় ঘোষ। তাঁর দাবি, বিজেপি এই সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করে “চিত্রনাট্য” তৈরি করছে। ২০১৬ এবং ২০২১ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “বাংলা সংস্কৃতির মাটিতে বহু খ্যাতনামা নাট্যকার রয়েছেন—তাদের কাছ থেকে ভালো চিত্রনাট্য নেওয়া যেতে পারে। ইডি-সিবিআইয়ের পুরনো গল্প আর মানুষ বিশ্বাস করছে না।”
প্রচারের শেষ লগ্নে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের আত্মবিশ্বাস স্পষ্ট—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর ফলাফলের দিকে।







