এই ঘটনাটা নিয়ে একটা বড় নিউজ পোর্টাল স্টাইলে, ব্যালান্সড রিপোর্ট সাজিয়ে দিচ্ছি—দু’পক্ষের বক্তব্যসহ।
ডানকুনির কালিপুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, উত্তপ্ত মহিশালপাড়া
গৃহসম্পর্ক অভিযান ঘিরে বচসা, দু’পক্ষেরই একাধিক আহত
ডানকুনি-র কালিপুরের মহিশালপাড়ায় গৃহসম্পর্ক অভিযানকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ১৮ নম্বর ওয়ার্ড। ঘটনায় দু’পক্ষের একাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি। ইতিমধ্যে ডানকুনি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
বিজেপির অভিযোগ: পরিকল্পিত হামলা
বিজেপির দাবি, গৃহসম্পর্ক অভিযানের অংশ হিসেবে দলীয় কর্মীরা এলাকায় প্রচারে গিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের কিছু কর্মী তাদের উপর চড়াও হয়। বিজেপির চণ্ডীতলা ৫ মণ্ডল সভাপতি নন্দকিশোর হেলা অভিযোগ করেন, অকারণে গালিগালাজের অভিযোগ তুলে তাঁদের ধাক্কাধাক্কি ও মারধর করা হয়।
বিজেপি নেতা কৃষ্ণনন্দ মিত্র ও স্থানীয় কর্মী সুকুমার পাত্র-সহ তিনজন গুরুতরভাবে আক্রান্ত হয়েছেন বলে দাবি। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছে। বিজেপির বক্তব্য, তারা কেবলমাত্র ডোর-টু-ডোর প্রচার করছিলেন, কোনও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
তৃণমূলের পাল্টা দাবি: সাম্প্রদায়িক উস্কানি
অন্যদিকে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সূর্যদে অভিযোগ করেছেন, বিজেপি প্রতিনিধি দল সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক মন্তব্য করছিল। বিশেষ করে এক বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলিম সম্প্রদায় বিরোধী পোস্টের অভিযোগ তোলেন তিনি।
সূর্যদে দাবি করেন, “মসজিদ ভেঙে দেওয়া” ও “মসজিদে জয় শ্রীরামের পতাকা লাগানো” ধরনের মন্তব্যের প্রতিবাদ করতেই উত্তেজনা ছড়ায়। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ করতে গেলে তাকেও ধাক্কাধাক্কি ও চড় মারা হয়। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ তাঁদের কাছে রয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।
রাজনৈতিক আবহে উত্তেজনা
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি এলাকায় হিন্দু-মুসলিম বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে তাদের গণসংযোগ কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে।
বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত।






